তামিম ইকবালের রেকর্ড ভোটে বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত, নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠিত

প্রকাশ :

সংশোধিত :

বিসিবির পরিচালক নির্বাচনে ক্যাটেগরি-২ (ক্লাব প্রতিনিধি) থেকে বিপুল সমর্থন পেয়েছেন তামিম ইকবাল। ৭৪টি বৈধ ভোটের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৭৩টি ভোট। সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নির্বাচিত হন।

৩৭ বছর বয়সী সাবেক জাতীয় অধিনায়ক তামিম এখন বিসিবির ২১তম সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি সংস্থাটির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি।

সহ-সভাপতি হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ফাহিম সিনহা। যদিও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুইজন সহ-সভাপতি থাকার কথা, তবে পরিচালকদের সম্মতিতে আপাতত একজনকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তামিম। ভবিষ্যতে দ্বিতীয় সহ-সভাপতি নির্বাচনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

আজ রোববার (৭ জুন) মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। এর মধ্যে কয়েকজন আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গিয়েছিলেন। ক্লাব ক্যাটেগরির ১২টি পদের জন্য ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেখানে তামিম ছাড়াও নির্বাচিত হয়েছেন সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মাসুদুজ্জামান, ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক, শানিয়ান তানিম নাভিন, ফাহিম সিনহা, সাকিব আহমেদ সালাম, আসিফ রব্বানী, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, রফিকুল ইসলাম বাবু এবং অধ্যাপক ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম।

ক্যাটেগরি-৩ থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়া জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত পরিচালক হিসেবে শেখ মো. রুহুল আমিন ও মো. সরফরাজ আহমেদের নাম ঘোষণা করা হয়।

সভাপতি নির্বাচনে তামিম একমাত্র প্রার্থী হওয়ায় ভোটাভুটির প্রয়োজন হয়নি। ফলে নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী চার বছরের জন্য বিসিবির নেতৃত্ব পেলেন তিনি।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিসিবিতে একাধিকবার নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়েছে। নাজমুল হাসান পাপনের দীর্ঘ মেয়াদের অবসানের পর ফারুক আহমেদ সভাপতি হন। পরে দায়িত্ব নেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বিতর্কিত নির্বাচনের অভিযোগ তদন্তের পর এনএসসি তার নেতৃত্বাধীন বোর্ড ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচনের নির্দেশ দেয়। সেই ধারাবাহিকতায় দুই মাসের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন হলো।

নতুন পরিচালনা পর্ষদে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত বা ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তিও রয়েছেন। বিভাগীয় ও ক্লাব ক্যাটেগরিতে নির্বাচিত একাধিক পরিচালকের পারিবারিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বর্তমান সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে।

সর্বশেষ খবর